student consultancy by singer Asif
বড় ছেলে শাফকাত রণ কানাডা গেছে স্টুডেন্ট ভিসায়। তার প্রথম সেমিস্টার শেষ হওয়ার পথে। মে মাসের পাঁচ তারিখ আমাদের মেয়ে আহদাহ্ আসিফের প্রথম জন্মদিন। বোনের প্রথম জন্মদিন উপলক্ষ্যে রণ দেশে আসছে মে’র প্রথম সপ্তাহে ইনশাআল্লাহ্। এদিকে বেগম আর বৌ’মার কানাডা ভিসা হয়ে গেছে। রণ ফেরত যাওয়ার সময় বৌ’মাকে নিয়ে যাবে। তাদের সংসার গুছিয়ে দিতে ( Local flavoue) বেগম সালমা আসিফও সঙ্গে যেতে পারেন।
পাশ্চাত্যের দেশগুলোতে স্টুডেন্ট ভিসা এভেইলেবল। শুধুমাত্র প্রোপার ভিসা ফর্ম ফিল-আপ এবং ভাল কনসালটেন্সির অভাবে আমাদের স্টুডেন্টরা এই সুযোগগুলো মিস করছে। IELTS শেষ করে রণ কানাডার ভার্সিটিতে অ্যাডমিশনের ব্যাপারে নিজে নিজেই মোহাসিন আলমের ( CEO at Stairs - An Immigration n Education consultants ) যোগাযোগ করেছে। এই এজেন্সীর মাধ্যমেই বৌমা’রও ভিসা হলো, ফাঁকে বেগমও পেলেন প্রায় দশবছরের মাল্টিপল ভিসা। মোহাসিন সাহেবের অফিসে আমি গিয়েছিলাম থ্যাংকস জানাতে। একজন ডায়নামিক এনার্জেটিক হেল্পফুল কনসালটেন্ট তিনি। স্টুডেন্ট ভিসা সংক্রান্ত তথ্য এবং পরামর্শের জন্য হ্যালো সুপারস্টারস অ্যাপে মোহাসিন সাহেব আসবেন লার্নিং সেশনে, আশা করি এর মাধ্যমে বিদেশে পড়াশোনা করতে আগ্রহী ছাত্র ছাত্রীরা ব্যাপকভাবে উপকৃত হবে। ধন্যবাদ জনাব মোহাসিন আলম।
আমার সমস্যা অন্য জায়গায়। এতোদিন বেগম রেগে গেলে ঠিক তিনদিনের জন্য নিরুদ্দেশ হয়ে যেতেন, ফোন বন্ধ করে দিতেন। ছোট ছেলে রুদ্রকে তার মায়ের ব্যাপারে উদ্বেগের কথা জানালে সে ক্যাজুয়ালিই বলে দিতো- যাবে আর কই, কুমিল্লা গেছে, টাইমলি চলে আসবে চিন্তার কিছু নাই। রুদ্র’র ঠান্ডা মাথার ভবিষ্যতবানীগুলো লেগে যায়। বেগম এখন রেগে গেলে চলে যাবে কানাডায় বড় ছেলের কাছে, ভিসার মেয়াদ অনুযায়ী এটা একটা দীর্ঘমেয়াদী টেনশনের ব্যাপার হয়ে গেল। এখন আমি রঙ্গন আর রুদ্র ঢাকায় থাকার জন্য ঐক্যজোট গড়ে তুলেছি।
Prevention Is better than Cure 
ভালবাসা অবিরাম…
No comments