Header Ads

Header ADS

আটা বা ময়দার ৩ ধরনের রুটির খামির-

 আটা বা ময়দার ৩ ধরনের রুটির খামির-

১। শক্ত বা টাইট রুটি:- এই ধরনের রুটির খামির তৈরি করার জন্য ঠান্ডা পানি বা কুসুম গরম পানি দিয়ে ডো বা খামির তৈরি করতে হবে। ডো তে অবশ্যই সামান্য তেল ব্যবহার করতে হবে। এবং ডো বানানোর পর ১০ মিনিট রেস্টে রাখতে হবে। আর রুটি সেকে বাহিরে খোলা রাখলে অনেক শক্ত হয়ে যায়। তাই একটু ঠান্ডা করে কাপড় দিয়ে ঢেকে রাখা যেতে পারে।
২। উপরের চামড়া শক্ত কিন্তু ভিতরে নরম:- এক্ষেত্রে একটি পাত্রে আটা বা ময়দা নিয়ে গরম পানি দিয়ে ডো বানাতে হবে। ডো তে সামান্য তেল ব্যবহার করা যেতে পারে। না করলেও সমস্যা নাই। এই ক্ষেত্রেও খামিরটা ৫-১০ মিনিট রেস্টে রাখা ভালো।
৩। একদম নরম তুলতুলে রুটি:- একটি পাত্রে পরিমান মতো পানি নিয়ে চুলায় ফুটতে দিতে হবে। পানি ফুটে উঠলে আটা দিয়ে নাড়তে থাকতে হবে। মাখা মাখা হয়ে গেলে ঢেকে দিয়ে চুলা অফ করে রাখতে হবে। ১০ মিনিট পর ভালো মতো ময়ান দিয়ে রুটি বানাতে হবে। এইক্ষেত্রে আর রেস্টে রাখার দরকার নাই। আর এই খামরে তেলেরও প্রয়োজন হয় না।
১ কাপ আটা দিয়ে ৪ টি মিডিয়াম চাইজের রুটি করা যায়। এবং ১ কাপ আটাতে পানি লাগে ১/২ কাপ।
পরোটা:-
শক্ত এবং ক্রিস্পি পরোটা খেতে চাইলে আটা একদম ঠান্ডা পানি দিয়ে ডো বানাতে হবে। আর ১ কাপ আটায় ২ টেবিল চামচ তেল দিলে ভালো হয়। পরোটার ভাজে তেল এবং আটার মিশন দেওয়া যেতে পারে। এতে পরোটা যেমন ফুলবে তেমনি ক্রিস্পি হবে। আরো মজাদার করার জন্য চিনি বা গুড়ো দুধ দিতে পারেন।
নরম পরোটা করার জন্য আটা গরম পানি দিয়ে ডো করে নিতে হবে। এই ক্ষেত্রে পরোটা ভাজার সময় চেপে চেপে দিলে কালার সুন্দর আসবে। হোটেলে সাধারণত এইবভাবে পরোটা বানায়।
চালের আটার রুটি: চালের আটার রুটি তৈরিতে ২ টি জিনিস ঠিক থাকলেই পারফেক্ট রুটি হবে। ১ম হলো ডো এবং ২য় হলো ময়ান। ডো তে পানি এবং আটার অনুপাত সঠিক হলে সুন্দর এবং সফট একটা ডো হবে। এরপর পালা ময়ানের। যত বেশি আটার খামির মথে নেওয়া যাবে তত বেশি মসৃন হবে এবং রুটি ফেটে যাবেনা।

No comments

Powered by Blogger.